বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর স্পেনের ফুটবলারেরা গোলপোস্টের জাল কেটে নেন। প্রায় সকলেই জাল সংগ্রহ করেন। যা দেখে বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীদের অনেকে। বিশ্বজয়ের উদ্যাপনের মধ্যেও স্পেনের ফুটবলারদের জাল কাটার ছবি বা ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমেও।
গোলপোস্টের জাল কাঁচি দিয়ে কেটে বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন ফেরান তোরেস, লামিনে ইয়ামাল, উনাই সিমনেরা। বিশ্বজয়ের স্মারক হিসাবে গোলপোস্টের জাল সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। বাস্কেটবল খেলায় কোনও বড় সাফল্যের পর সংগ্রহে রাখার জন্য বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার রীতি রয়েছে। ফুটবলে এমন সাধারণত দেখা যায় না।
আমেরিকার বাস্কেটবলে বড় জয়ের স্মারক হিসাবে জালের টুকরো সংগ্রহ করার রেওয়াজ শুরু হয় গত শতাব্দীর প্রথম দিকে। ১৯৪৭ সালে নর্থ ক্যারোলিনা স্টেটের কোচ এভার্ট কেস সাদার্ন কনফারেন্স খেতাব জয়ের পর দলের খেলোয়াড়দের কাঁধের উপর দাঁড়িয়ে বাস্কেটের জাল কেটে নেন। সেই ঘটনার পর থেকে জাল কেটে নেওয়ার বিষয়টি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ক্রমে তা আমেরিকার বাস্কেটবলে রীতি হয়ে গিয়েছে।
স্পেনের ফুটবলারেরা আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপ জেতার পর সে দেশের উদ্যাপনের রীতি অনুসরণ করেছেন। সম্ভবত বিশ্বকাপের পাশাপাশি আমেরিকার ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করার লক্ষ্যে স্মারক হিসাবে গোলপোস্টের জাল কেটে নিয়ে নেন স্পেনের ফুটবলারেরা।
গোলপোস্টের জাল কাঁচি দিয়ে কেটে বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন ফেরান তোরেস, লামিনে ইয়ামাল, উনাই সিমনেরা। বিশ্বজয়ের স্মারক হিসাবে গোলপোস্টের জাল সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। বাস্কেটবল খেলায় কোনও বড় সাফল্যের পর সংগ্রহে রাখার জন্য বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার রীতি রয়েছে। ফুটবলে এমন সাধারণত দেখা যায় না।
আমেরিকার বাস্কেটবলে বড় জয়ের স্মারক হিসাবে জালের টুকরো সংগ্রহ করার রেওয়াজ শুরু হয় গত শতাব্দীর প্রথম দিকে। ১৯৪৭ সালে নর্থ ক্যারোলিনা স্টেটের কোচ এভার্ট কেস সাদার্ন কনফারেন্স খেতাব জয়ের পর দলের খেলোয়াড়দের কাঁধের উপর দাঁড়িয়ে বাস্কেটের জাল কেটে নেন। সেই ঘটনার পর থেকে জাল কেটে নেওয়ার বিষয়টি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ক্রমে তা আমেরিকার বাস্কেটবলে রীতি হয়ে গিয়েছে।
স্পেনের ফুটবলারেরা আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপ জেতার পর সে দেশের উদ্যাপনের রীতি অনুসরণ করেছেন। সম্ভবত বিশ্বকাপের পাশাপাশি আমেরিকার ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করার লক্ষ্যে স্মারক হিসাবে গোলপোস্টের জাল কেটে নিয়ে নেন স্পেনের ফুটবলারেরা।
মিজানুর রহমান টনি